প্রচ্ছদ > নির্বাচন > নির্বাচনে ‘অযোগ্য’ খালেদা

নির্বাচনে ‘অযোগ্য’ খালেদা

ডেস্ক বার্তা : তারেক রহমানের পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। দুর্নীতির একটি মামলায় দুই আদালতে সাজা হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী বিএনপি প্রধান নির্বাচনের অযোগ্য বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

মঙ্গলবার সকালে জিয়া অরফানেজ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। এরপর এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন দুদকের আইনজীবী।

খুরশীদ আলম বলেন, ‘আদালত তাদের তিনটি আপিলই খারিজ করে দিয়েছেন। আর আমাদের তিনটি আবেদন গ্রহণ করেছেন। এখন খালেদা জিয়ার জামিন অটোমেটিকলি বাতিল হয়ে যাবে। উনার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নই আসে না।’

খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে দুদকের আইনজীবী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী নৈতিকতা স্খলনের দায়ে কেউ যদি দুই বছরের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে পরবর্তী পাঁচ বছর না যাওয়া পর্যন্ত তিনি নির্বাচন করতে পরবেন না। কাজেই সংবিধানের ৬৬ (২) ডি অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনের প্রশ্নই আসে না। আপিল করলেও তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না। কারণ, এখানে দুইটি আদালতের রায় হয়ে গেছে।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। ওই রায়ের পর খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে খালেদার পক্ষে খালাস চেয়ে আপিল করা হয়। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার আপিল খারিজ করে দুদকের সাজা বৃদ্ধির আবেদন গ্রহণ করে খালেদার সাজা পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১০ বছর করে হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ২২ জুলাই মুদ্রাপাচার মামলায় নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেককে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকার অর্থদণ্ড দেয় হাই কোর্ট। এর ফলে একাদশ সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান অযোগ্য হয়ে পড়েন বলে জানিয়েছিলেন আইনজীবীরা। সংবিধান অনুযায়ী এ সাজা না খাটা পর্যন্ত অথবা দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ এ রায় বাতিল না করা পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.