প্রচ্ছদ > দিনাজপুর জেলা > চিরিরবন্দরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

চিরিরবন্দরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

মাহাফুজুল ইসলাম আসাদ, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর ) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে দিন যত গড়াচ্ছে, ততই জমজমাট হয়ে উঠছে ঈদের কেনাকাটা।

উপজেলা শহরের রেলওয়ে ষ্টেশন বাজার, হাসপাতাল মোড়, আইডিয়াল মোড়, ঘুঘুরাতলী বাজার এর বিপণিবিতানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

গত মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপজেলার বিপণিবিতানগুলো ক্রেতা সমাগমে মুখর হয়ে উঠেছে। বাহারি পোশাক আর নতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়ে দোকানীরা ক্রেতা আকর্ষণ করছে। তবে দেশী পোশাকের চেয়ে ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। এছাড়া পাকিস্তানী কিছু থ্রিপিস রয়েছে সেগুলোর চাহিদাও রয়েছে। তবে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের আকৃষ্ট করে এমন নাম নিয়ে এবারও বাজারে এসেছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ, শাট, প্যান্ট, টিশাট।

গৃহিণীদের জন্য পিওর সুতি, সাউথ, কানজিবরন, কাতান বেনারশী, জামদানী। মহিলারা কেনাকাটায় ঈদ বাজারকে প্রাণবন্ত করেছে। তরুণীরা ঝুঁকছে ভারতীয় বেশ কিছু আইটেমের দিকে। লেহেঙ্গা, রশমি, নির্জ্ব, দুপাট্টা, শেরওয়ানী তরুণীদেরকে আকৃষ্ট করেছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের প্রথম দিকে ছিট কাপড়ের দোকানে ক্রয়-বিক্রয় কম থাকলেও বর্তমানে ছিট দোকানে প্রচুর ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। ক্রেতাদের ভিড় সামাল দিতে অনেক মার্কেটেই দোকানিদের হিমশিম খেতে দেখা গেছে।

ঈদ মার্কেটে ক্রেতাদের মধ্যে সিংহভাগ নারী। মেয়েরা যাচাইবাছাই করে তবেই তাদের পছন্দের জিনিসটি কিনছেন। কেউবা ভিড় এড়াতে আগে ভাগেই পছন্দের কাপড় কিনে রাখছেন। পছন্দের পোশাকটি কিনতে ক্রেতারা হন্যে হয়ে ঘুরছে এ মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে।

ক্রেতা জেসমিন আক্তার, পারুল আক্তার, লাইলী বেগম জানায়, আমরা পরিবারের জন্য পোশাক কিনেছি। চিরিরবন্দরে এখন সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। আগে পোশাক দিনাজপুর শহর থেকে কিনতাম। এখন আর পোশাকের জন্য কেনাকাটা করতে কোথাও যেতে হয় না। তারা জানান, স্থানীয় দোকান গুলো থেকে কাপড় কিনেছি, দামও মোটামুটি। এখানে অনেক আইটেমের কাপড় সুলভ মুল্যে পাওয়া যায়।

গত বছরের তুলনায় এ বছর সব পন্যের দাম বেশী বলে জানান ক্রেতারা। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, দাম বেশী হলেও বেচাকেনা ভালই হচ্ছে। ঈদের আগের রাত পর্যন্ত এরকম ভিড় থাকবে বলেও তাদের আশাবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.