শিরোনাম
প্রচ্ছদ / প্রিয় খানসামা / খানসামায় ভাতিজার হাতে চাচী আহত

খানসামায় ভাতিজার হাতে চাচী আহত

দিনাজপুর:  দিনাজপুরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে, হাতে চাচী গুরুতর জখম যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন হাসপাতালে!! দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের,মুন্সিপাড়ায় ভাতিজার দেশীয় অস্ত্রের কোপে ছয়দিন ধরে হাসপাতালে প্রচন্ড শারীরিক যন্ত্রণায়,দিন কাটাচ্ছেন নুরনাহার বেগম (৪৫)!
খানসামা উপজেলা পরিষদের মালী,মোঃ আবু সাঈদ এর জমিতে জোরপূর্বক ভাবে তারই ভাইয়ের ছেলে মোঃ শাহিনুর রহমান ও তার ভাই বোনজামাই,মা মিলে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর তুলতে গেলে মৌখিক অন্যয়ের প্রতিবাদ প্রদানের এক পর্যায়ে মোঃ জাহিদুল ইসলাম(৩৬) ও তার মা মোছাঃ জাহেদা বেগম(৫২), এর হুকুমে এবং বোন ও ভগ্নীপতি বাবুল ইসলামের সহোযোগীতায়, শাহিনুর রহমান শাহিন(৩১) তার চাচী মোছাঃ নুরনাহার বেগম ও তার বিবাহিত মেয়েকে প্রথমে লাঠিসোটা দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করার পর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নিমিষেই গুরুতর জখম করে!
এবিষয়ে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেলে ভর্তিরত নুরনাহার বেগম (৪৫)এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, গত ২৬ তারিখ বিকেল বেলায় আমার বাড়িতে কেউ ছিলনা,আমার স্বামী চাকরি করায় তিনি অফিসে ছিলেন এবং আমার ছেলে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল, বাড়িতে শুধু আমি এবং আমার বিবাহিত মেয়ে ছিলাম। প্রাচীর নির্মাণে বাধা দেওংয়ার পর শাহিনুর,তার ভগ্নীপতি,ভাই ও তার মা বোনসহ আমাদের মারতে আসে। আমাদের মা মেয়েকে লাঠি দিয়ে মারার পর এক পর্যায়ে শাহিনুর আমাকে রামদা দিয়ে মারতে আসে। আমি ভয়ে বাড়ি থেকে দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করি। এতে সে আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে আজ জবাই করবে বলে,চিৎকার করে আমাকে রাম-দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে! রাম-দায়ের আঘাতে আমি মাটিতে পড়ে যাই,তখন সে আমার মেয়ের দিকে ধেয়ে আসে আর আমার ছেলেকে খুজতে থাকে! আমাদের মা মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে শাহিনুর ও তার সহোযোগীরা পালিয়ে যায়! কিছুক্ষণ পরে আমি দেখি আমার অাঙ্গুল গুলো কোন কাজ করছেনা কেবল অঝরে রক্ত ঝরছে! আমার পুরো শরীরে তার নিরবিচ্ছিন্ন আঘাত আমি আর সহ্য করতে পারছিনা বাবা, কথা গুলো বলছিলেন এম আব্দুর রহিম মেডিকেলে ভর্তিরত নুরনাহার বেগম।
পরে কর্তব্যরত ডাক্তার দের সাথে কথা বল্লে, তারা জানান ৬টি আঙ্গুল সম্পূর্ণভাবে জখম এবং মাংসপেশির সাথে হার কেটে ভেঙ্গে গেছে! প্রাথমিকভাবে অপারেশন করে ইন্ট্রামেডুলারি নেইল ও প্লেট স্থাপন করা হয়েছে! তবে আঙ্গুল গুলো পরবর্তিতে স্বাভাবিক হবে কিনা তা অনিশ্চিত!

এবিষয়ে শাহিনুরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন,“ তারা এলাকায় প্রভাবশালী,তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে গেলে বিপদে পড়েতে হয়। ইতোপূর্বেও তারা অনেকের সাথে এমনটি করেছে! এবিষয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নুরনাহারের পরিবারের লোকজন বলে জানা যায়।

Check Also

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব শাহ সালাউদ্দিনের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমে : সেবার দিকে এগিয়ে মন্ত্রণালয়

বিশেষ প্রতিনিধি:  পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী (এমপি) যেমনি সততা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়টিকে …

Leave a Reply